Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের কেনাকাটার কারণে জুলাই মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩৬ শতাংশ; যা জুন মাসে ছিল ৬.২৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেয়া ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বুধবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনে কক্ষে একনেক বৈঠক শেষে এ বিষয়টি তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
মুস্তফা কামাল বলেন, ‘ঈদে ছোট-বড় সবার জন্য কাপড় কেনা-কাটার কারণে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এ কারণে জুলাই মাসে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তবে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি হয়নি। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বাড়ায় সাধারণ মূল্যস্ফীতিতেও এর প্রভাব পড়েছে।’
বিবিএসের হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, খাদ্যপণ্যে জুন মাসের চেয়ে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হয়েছে। জুনে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬.৩২ শতাংশ। জুলাইয়ে এ হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬.০৭ শতাংশ।
তবে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে। পরিধেয় বস্ত্র, প্রসাধনী, জুতা, বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালী, আসবাবপত্র, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ সেবা খাতে মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী।
ফলে খাদ্য বহির্ভূত খাতে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৮০ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৬.১৫ শতাংশ।
বিবিএস-এর হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, মসলা, ফল, দুধ জাতীয় দ্রব্যাদি এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর দাম জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে কমেছে।
হালনাগাদ তথ্যে আরো দেখা যায়, গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। জুনে যা ছিল ৫.৯০ ভাগ, জুলাইয়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৮৮ ভাগ।
অন্যদিকে শহর পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার জুন মাসে ৬.৯১ শতাংশ ছিল। জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.২৮ শতাংশে।
প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেও আগের মাসের তুলনায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৬.২৫ শতাংশে দাঁড়ায়। মে মাসে এ হার ছিলো ৬.১৯ শতাংশ।