Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ছাত্রলীগ নেত্রীকে চাঁদা না দেয়ায় ইডেন ছাত্রী হলচ্যুত

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
ঢাবি: ছাত্রলীগ নেত্রীকে চাঁদা না দেয়ায় ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে হলচ্যুত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শিরিন শিলার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইডেন কলেজের রাজিয়া হলের বি ব্লকের ৩১১ নম্বর রুমে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।
ছাত্রলীগের মারধরের শিকার হলচ্যুত ওই ছাত্রীর নাম সুস্মিতা। তিনি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রী।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী জানান, গত ৭/৮ মাস আগে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শিরিন শিলাকে ৮ হাজার টাকা দিয়ে হলে উঠেন তিনি। হলে থাকাকালীন তিনি ওই নেত্রীর বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতেন। সম্প্রতি ওই নেত্রী তার কাছে হলের সিট বাবদ আবারও টাকা দাবি করলে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানালে ওই নেত্রীর সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে মেরে হল থেকে বের করে দেন।
এসময় বাঁধন নামের ওই নেত্রীর কর্মী তাকে মারধর করে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
রুম্পা ঘোষ নামের অপর এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, তাকেও ছাত্রলীগের ওই নেত্রী কিছুদিন আগে মেরে হল থেকে বের করে দিয়েছেন। তার অপরাধ হলের অন্য রুমের মেয়েদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তিনি। তিনিও ২ বছর আগে ৮ হাজার টাকা দিয়ে ওই নেত্রীর মাধ্যমে হলে উঠেন।
হল থেকে বের করে দেয়ার সময় ছাত্রলীগের ছাত্রলীগ নেত্রী তাকে বলেন, ২ বছর তো হলে থাকলি, তোর টাকা উসুল হয়ে গেছে। এখন আর তুই হলে থাকতে পারবি না।
এদিকে সাধারণ ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রলীগের ওই নেত্রী কারণে-অকারণে ছাত্রীদের ওপর নির্যাতন এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ভয়ে কেউ তার প্রতিবাদ করতেও সাহস পায় না। হলে উঠানোর নামে তিনি সিট বাণিজ্য করেন বলেও তারা অভিযোগ করেন। তার গ্রুপের ছাত্রীদের হলে অন্য কোন রুমের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করেছেন তিনি। কেউ কথা বললেই তাকে হল থেকে বের করে দেয়া হয় বলে সাধারণ ছাত্রীরা জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের এই নেত্রী জানান, কাউকে জোর করে হল থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে না। আসলে ওই দুইটা মেয়ে রুমে চুরি করতো। তাই তাদেরকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।
ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অর্চি বলেন, ওই নেত্রীর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো না হওয়ায় তাদেরকে আলাদা করে দেয়া হয়েছে। তার বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারবো না।
এ বিষয়ে জানতে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক কামরুন নাহারকে বার বার ফোন করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।