Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

শৈলকুপার সুমি সাহাকে স্বামী বিক্রি করেনি চাঞ্চল্যকর তথ্য

টিপু সুলতান, ঝিনাইদহ
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কবিরপুর গ্রামের সুমি সাহাকে যৌতুকের লোকে তার স্বামী তাকে বিক্রি করেনি। বরং সুমি সাহা আগের হিন্দু স্বামী সুমন সাহাকে তালাক দিয়ে আদালতের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন। মুসলমান যুবককে বিয়ে করার পর সুমি সাহা এখন উল্টো প্রাক্তন স্বামীর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে ফেঁসে গেছেন। পুলিশের তদন্তে সুমির প্রতারণা ফাঁস হয়ে গেছে। এর আগে সুমি শৈলকুপা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ করেন। এতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ ও সাবেক স্বামী সুমন সাহার পরিবার। স্পর্শকাতর এ বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যপক উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। সুমন সাহার বড় ভাই সঞ্জয় সাহা জানান সাড়ে ৩ বছর আগে কবিরপুর গ্রামের ফলবিক্রেতা সঞ্জয় কুমার সাহার মেয়ে সুমি সাহার (১৯) সাথে তার ভাইয়ের বিয়ে হয়। সুখের আশায় স্ত্রী সুমি সাহাকে নিয়ে সুমন সাহা ঢাকার সাভারের জামগড়া এলাকার একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি নেন। একই কারখানায় কর্মরত মাগুরা জেলার বিনোদপুর গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে জিহাদুল ইসলামের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে ঔ দম্পত্তির। এক পর্যায়ে সুমি সাহা তার স্বামী সুমন সাহাকে মাননীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালত ঢাকা এবং নোটারী পাবলিকের কার্যালয় ঢাকা এর মাধ্যমে ০৮/০৬/২০১৫ তারিখে স্ত্রী কর্তৃক বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। এ ঘটনার তিন দিন পরই ১১/০৬/২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে একই আদালতের মাধ্যমে সুমি সাহা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে সুমাইয়া ইসলাম নাম ধারণ করেন। হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করার তিনদিন পর মাগুরা জেলার বিনোদপুর গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে জিহাদুল ইসলামকে ঐ আদালতের মাধ্যমে সুমাইয়া ইসলাম সুমি বিয়ে করেন। স্ত্রীর কোন খোঁজ না পেয়ে স্বামী সুমন সাহা গত ১১ জুন আশুলিয়া থানায় তার স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়া সম্পর্কে একটি জিডি করেন (জিডি নম্বর-৬৭৫)। মুসলমান ছেরেকে বিয়ে করেও সুমি সাহা ও তার বাবা সঞ্জয় সাহা থেমে থাকেনি। সুমি সাহা ১২ জুলাই বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, ঝিনাইদহের আদালতে প্রাক্তন স্বামী সুমন সাহা, সুমনের বড় ভাই সঞ্জয় সাহা ও সুমনের মা যুঁথিকা সাহার বিরুদ্ধে ৫ (১) ৩০ ধারা মতে একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় সুমি সাহাকে প্রতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে টাকার বিনিময়ে বিক্রি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়। আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলাটি অত্র ট্রাইব্যুনালে রক্ষণীয় নয় মর্মে সরাসরি নামঞ্জুর করেন। এ ঘটনার পর সুমি সাহা ও তার পরিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে মিথ্যা প্রচারণা চালাতে থাকেন বলে প্রাক্তন স্বামী সুমন সাহার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।