Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

বেতন কাঠামো বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে ইবি শিক্ষকরা

ইবি প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো বাতিল, শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণসহ বৈষম্যমুলক নীতির প্রতিবাদে আবারো আন্দোলনে যাচেছ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষকরা। সোমবার সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষক সমিতি এ আন্দোলনের রুপরেখা তুলে ধরেন।
গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করে শিক্ষক সমিতি। মতবিনিময় সভায় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেন। শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) প্রফেসর ড. আহসান উল্ল্যাহ ফয়সালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আক্তারুল ইসলাম জিল্লুর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- যুগ্ম- সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য প্রফেসর ড. সামসুল আলম, প্রফেসর ড. মেহের আলী, প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইমামূল হাছান আদনান, আবদুল্লাহ আল মামুন (যুগান্তর), আয়াজ আজাদ (যায়যায়দিন), সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক মোস্তফা জুবায়ের আলম, কোষাধ্যক্ষ শাহজাহান নবীন, রাশেদুন্নবী রাশেদ (দ্যা রিপোর্ট), আব্দুল্লাহ আল ফারুক (ইনকিলাব), মাহমুদুল হাসান রনি (নিউ নেশন) প্রমূখ। সভায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্থানসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধার নানা দিক তুলে ধরে শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) প্রফেসর ড. আহসান উল্ল্যাহ ফয়সাল বলেন-‘দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আলাদা পদমর্যাদা আছে। প্রত্যেক রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য রাষ্ট্রীয় ভাবে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। প্রফেসরদের জন্য অন্যান্য দেশে স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো, গাড়ী-বাড়ীসহ ব্যক্তিগত কর্মচারীর ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা সরকারের কাছে এত কিছু চায় না। আমরা আমাদের প্রাপ্য ও ন্যায্য সম্মান ও মর্যাদাটুকু ফেরত চাই।’ প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো বাতিল সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অনৈতিক বৈষম্যমুলক বলে দাবি করে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আক্তারুল ইসলাম জিল্লু বলেন বলেন-‘বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী আমরা ৫ আগস্ট সমিতির সাধারণ সভা আহŸান করেছি। ওইদিন সকলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আন্দোলনের কর্মসূচী নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৭ ও ১৮ আগস্ট ক্লাস বর্জনের কর্মসূচী পালন করা হবে।’ তিনি আরো বলেন-‘বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দরা শিক্ষামন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে এবিষয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছে। কিন্তু তাতে আজ পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি। অর্থমন্ত্রীর সাথে ফেডারশেনর বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর বিমাতাসূলভ আচরণ শিক্ষকদের আশাহত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি পুরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অন্যথায় শিক্ষকরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।’