Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

নীলফামারীতে এনজিও খুলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আব্দুর রাজ্জাক, নীলফামারী
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
নীলফামারীতে সমবায় মন্ত্রানালয়ের অনুমোন নিয়ে এনজিও খুলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি হায় হায় কোম্পানী। এনজিওতে জমাকৃত টাকা চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছে একাধিক গ্রাহক। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী গ্রামে। জানা যায়, ওই এলাকার লিটন মিয়া নামের এক সেনা সদস্য “আশার আলো সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতি লিঃ” নামের একটি এনজিও খুলেন। যার ডোমার উপজেলা সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধন করা হয়। যার নিবন্ধন নং-৪৯/২০১৪, তারিখ-২৩/০৪/২০১৪। যার প্রধান কার্যালয় দেখানো হয়েছে কাজীর হাট, ডোমার, নীলফামারী। যিনি বগুড়া সেনানিবাসের ষ্টেশন সাপ্লাই ডিপো ইউনিটের ল্যান্স কর্পোারাল (ক্লার্ক) হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন কর্মরত সদস্য কিভাবে নিজ নামে সংস্থা খুলে টাকা আত্বসাৎ করেন। সংস্থাটি নিবন্ধন নেয়ার পরে ব্যাংকের ডিপিএস পদ্ধতিতে স্থানীয়দের কাছ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তিতে টাকা আদায় শুরু করে। এ কাজে তিনি একটি ইউনিয়নে ওই সংস্থার সহ সভাপতি এবং তার বাবা আতাউর রহমান ও অপর দুটি ইউনিয়নে দুজন মাঠকর্মী নিয়োগ দেন। এসব মাঠ কর্মী দৈনিক ১০ টাকা, সাপ্তাহিক ৫০/১০০ টাকা ও মাসিক ২০০/৫০০ টাকা হারে আমানত সংগ্রহ করেন। এভাবে প্রায় দেড় বছর ধরে তারা সহস্রাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে অন্তত ৮ লক্ষাধিক টাকা আদায় করেন। অপরদিকে টাকা আদায়ের শুরুতে সংস্থাটির পরিচালক জানান, বছর খানেক টাকা সঞ্চয়ের পর তারা ঋন প্রদান করবেন। যে সকল গ্রাহকের মেয়াদ পুর্ন হয়েছে তারা ঋনের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। এসময় তিনি আজ কাল করে সময়ক্ষেপন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে গ্রাহকদের সন্দেহ হলে বেশীরভাগ সঞ্চয়কারী তাদের মূলধন ফেরতের চাপ দেয়া শুরু করলে হঠাৎ করে তিনি ছয় মাস পুর্বে তার সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করেন। এরপর গ্রাহকেরা তাদের সঞ্চয়কৃত টাকা ফিরত চাইতে গিয়ে চান্দখানা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে বিপুল সহ একাধিক গ্রাহক সংস্থার এমডি লিটন ও তার বাবা আতাউর রহমানের হাতে মারধরের শিকার হন। জোড়াবাড়ী গ্রামের শহির উদ্দিনের ছেলে শহীদুল, একই গ্রামের আজাদুল, ফুল­ু মিয়ার ছেলে আমিনুর, ফজলুল হকের ছেলে মহব্বত একই ঘটনার শিকার হয়। চান্দখানা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে রবিউল, আমবাড়ী গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে জাহিদ সহ একাধিক ভুক্তভোগীরা জানান, টাকা জমা রেখে ঋনের পরিবর্তে গ্রাহকেরা মারধরের শিকার হচ্ছে। তারা এ বিষয়টির যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে সঠিক বিচার দাবী করেন। এ ব্যাপারে সংস্থাটির পরিচালক লিটন তিনি কোন অনিয়ম করেননি বলে দাবী করে সাংবাদিকদের জানান, তার সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।