Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

পুঠিয়ায় চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করার অভিযোগ

এইচ এম শাহনেওয়াজ, পুঠিয়া
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
রাজশাহীর পুঠিয়া-ভালুকগাছি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল করিম ও সচিব উজ্জল হোসেন প্রতিবছর খাতা-কলমে কাজ দেখিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকা আতœসাত করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্ব শেষ গত অর্থ বছরে এলজিএসপির প্রায় ৫ লাখ কাজ না করেই উত্তোলনের বিষয়টি উপজেলা মাসিক সমন্ময় কমিটির সভায় উপস্থাপিত হয়। পরে এ বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালকসহ (সচিব) সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর গুলোতে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ভালুকগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম, সচিব উজ্জল হোসেন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাজেদা বেগম গত ২০১৩/১৪ অর্থ বছরে এলজিএসপি-২ এর অধিনে পিজিটির ৫ লাখ ৫ হাজার ৭৭৫ টাকা কাজ না করেই সোনালী ব্যাংক পুঠিয়া শাখা থেকে মোট ৮টি চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করেন। এর মধ্যে গত বছর ২৫ জুলাই ৪টি চেকের মাধ্যমে এক লাখ ৯৪ হাজার ৪৫৭ টাকা, ২৬ জুলাই দু’টি চেকের মাধ্যমে এক লাখ ৮৯ হাজার ও ২৯ জুলাই অপর দু’টি চেকের মাধ্যমে এক লাখ ২২ হাজার ৩১৮ টাকা। এ টাকা জালিয়াতির বিষয়টি গত বছর ২৭ আগষ্ট বিজিসিসির কমিটির সভায় প্রমানিত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ইউপি সদস্যরা অভিযোগ তুলে জানান, এই ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ওয়াজুল ইসলাম বাচ্চু গত প্রায় ৭ বছর পূর্বে উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যহতি নেন। সে সময় ইউপি সদস্য আব্দুল করিম আ’লীগের সমর্থক হওয়ায় তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দ্বায়ীত্ব দেওয়া হয়। অপরদিকে আইনী জটিলতা থাকায় দীর্ঘ দিন যাবত এই ইউপিতে নির্বাচন স্থাগিত হয়ে পড়ে। এর ফলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সচিব ও ৩/৪ জন সাধারন সদস্য মিলে সরকারী বিভিন্ন অনুদানের অর্থ খাতা-কলমে ঠিক রেখে বেশীর ভাগ টাকা আতœসাত করছেন। এছাড়া এক প্রকল্প একাধিক বার দেখিয়ে অর্থ হরিলুট করারও অভিযোগ রয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাজেদা বেগম জানান, অর্থ লুটপাটের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে চেয়ারম্যান ও সচিব মহদয় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চেক ও রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। ইউপি সচিব উজ্জল হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে কয়েকদফা যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম জানান, এলজিএসপির প্রায় ৫ লাখ টাকা আতœসাতের বিষয়ে যে অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে সেটা পুরোপুরি সঠিক নয়। আমরা ওই টাকায় বিভিন্ন কাজ করেছি, তবে খাতা-কলমে অনুমোদন ছাড়াই। যার ফলে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া সঠিক ভাবেই পরিষদের কার্যক্রম চলছে। এখানে কোনো অর্থই লুটপাট হয় না।