Amardesh
আজঃ
 
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ব্রিটেনে অবৈধ আশ্রয়প্রার্থীদের উচ্ছেদ বিল : ল্যান্ডলর্ডদের জন্য কারাদণ্ডের বিধান

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থীদের সুবিধা আর সহজ থাকছেন। নতুন বিল আসছে আশ্রয় প্রার্থীদের জন্য কঠোর আইনসহ যে সব ল্যান্ডলর্ড অবৈধ অভিবাসী বা আশ্রয় প্রার্থীদের স্ট্যাটাস চেক ছাড়া বাড়ি ভাড়া দিবেন- তাদের জন্য জেল জরিমানার বিধান থাকছে নতুন আইনে।
নতুন বিলে বলা হয়েছে, ল্যান্ডলর্ড যারা চেকিং ছাড়াই এই সব আশ্রয় প্রার্থীদের বাড়ি ভাড়া দিবেন এবং তাদের উচ্ছেদ না করবেন, তাদেরকে ৫ বছরের জন্য কারাদণ্ডের বিধান আনা হচ্ছে।
ল্যান্ডলর্ড এসোসিয়েশনের নেতা রিচার্ড ল্যাম্বার্ড বিবিসি রেডিও ফোরের সাথে সাক্ষাতকারে বলেছেন, সরকার ক্যালাইস সমস্যার কারণে এখন নতুন করে এই কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে। ল্যাম্বার্ড আরো বলেছেন, আগে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ বা ভাড়াটিয়া বের করে দেয়ার জন্য কোর্টের অনুমোদন তথা কোর্ট প্রসেসিং জরুরি ছিলো, যা বর্তমানে ল্যান্ড লর্ডদের হাতে সেই ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। এই পরিবর্তন অন্যরকম হলেও সরকারের এই আইনের সাথে আমরা মানিয়ে চলতে প্রস্তুত এবং পরবর্তী পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই।
কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী গ্রেগ ক্লার্ক বলেন, যেসব 'উচ্ছৃঙ্খল' বাড়িওয়ালা অবৈধ অভিবাসীদের দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ কামিয়ে নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে এবার সরকার কঠোর হবে। অবশ্য এই উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা চলছে। গত রোববার সুইডেনের মন্ত্রী মর্গান জোহানসন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদনের শুনানি হবার আগেই তাদের অবৈধ বলে চিহ্নিত করা রেওয়াজ শুরু হয়েছে।
এদিকে হোম সেক্রেটারি থেরেসা মে এক নিবন্ধে লিখেছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী শুক্রবারে ঘোষণা করেছেন, ককেলসের নিরাপত্তা বিধানে ব্রিটেন আরো অতিরিক্ত ফ্যান্সিং নির্মাণ করবে এবং ক্লিয়ার ম্যাসেজ দিয়েছেন, ব্রিটেনে অবৈধদের প্রবেশের জন্য সহজ কোন রাস্তা খোলা নাই।
ফ্রান্সের ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের সাথে যৌথভাবে নিবন্ধে থেরেসা মে লিখেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের এই সমস্যা এখন বিশ্বব্যাপী এক বড় সমস্যা। এই সমস্যা কেবলমাত্র ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পক্ষে একা সমাধান করা সম্ভব নয়। অবৈধ অভিবাসীরা ক্যালাইস হয়ে ব্রিটেন যেমন ঢুকতে চাচ্ছে, একই সাথে ফ্রান্স, গ্রিস, ইটালি যেভাবে সুযোগ পাচ্ছে সেখানে সেভাবেই ঢুকার চেষ্টা করছে। তাই এই সমস্যা ঐ সব দেশ সহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিলে মিশে সমাধান করতে হবে।